সংবাদ শিরোনামঃ
সিলেট,সুনামগঞ্জ সহ বন্যার্তদের জন্য দেড় কোটি টাকা তোলা সেই গায়ককে পুলিশের ধমক বন্যাদুর্গত সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার অসহায় বানভাসি মানুষের পাশে বিজিবি সিলেট ও সুনামগঞ্জ প্রিয় মাঠ মিরপুর থেকেই শেষ বিদায় নিলেন মোশাররফ রুবেল। হাই ব্লাড প্রেসার কমানোর একেবারে সহজ উপায় যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায় নর্ধারিত কিছু শর্ত লঞ্চের আগুনে : মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯, নিখোঁজ অর্ধশতাধিক ! রাতে দেরি করে ঘুমাতে যান এবং সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন তাদের অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকে। গর্ভাবস্থায় কি করােনা টিকা নেওয়া উচিত জেনে নিন ! পাকা পেঁপে হল সবচেয়ে পুষ্টিকর ফলগুলির মধ্যে একটি। কাঁচা পেঁপেও নানা গুণে ভরপুর। নতুন ভ্যারিয়েন্টের জন্য ‘শাস্তি দেয়া হচ্ছে!দক্ষিণ আফ্রিকা
ক্ষুধার্ত বাচ্চাদের সান্ত্বনা দিতে পাত্রে পাথর রান্না করছেন মা!

ক্ষুধার্ত বাচ্চাদের সান্ত্বনা দিতে পাত্রে পাথর রান্না করছেন মা!

ক্ষুধার্ত বাচ্চাদের সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য পাত্রে পাথর রান্না করছেন মা!

ক্ষুধার্ত বাচ্চাদের সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য পাত্রে পাথর রান্না করছেন মা! দারিদ্র্যের জোরে জীবন চলে যায়। ঘরে খাবার নেই। চুলায় রান্না হয় না। আমি আর পেট মানে না। খাবারের জন্য বাচ্চার কান্না থামছে না। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুধার্ত বাচ্চাদের পাশের হাঁড়িতে পাথর রেখে রান্না করার ভান করছেন মা। এই আশায় যে বাচ্চারা খাবারের জন্য অপেক্ষা করবে।

করতে এক সময় হয়তো ঘুমিয়ে পড়বে বাচ্চারা।এটিই হচ্ছে কেনিয়ার উপকূলীয় শহর মোম্বাসার। বিবিসি এমন একটি মর্মস্পর্শী ঘটনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। রান্না করা মহিলার নাম পেনিনা বাহাটি কিটসও। তিনি বিধবা। আট সন্তানের জননী।অশিক্ষিত কিটসও স্বামীকে হারিয়ে স্থানীয় লন্ড্রিতে চাকরি নিয়েছিলেন।

কিন্তু করো;নাভাইরাস বিস্তারের কারণে সরকারী বিধিনিষেধের কাজ নষ্ট হয়ে গেছে। ফলস্বরূপ,বাড়িতে কোনও খাবার নেই।
তবে পেট মানে লকডাউন নয়। ক্ষুধার কারণে বাচ্চাদের কান্না কোনওভাবেই থামানো যায়নি। কোনও উপায় খুঁজে না পেয়ে মা পাত্রগুলিতে পাথর ফেলে চুলায় আগুন লাগিয়ে বাচ্চাদের প্রতারণা করতে বেছে নিয়েছিলেন। হৃদয় বিদারক ঘটনাটি প্রতিবেশী প্রিস্কা মোমনির নজরে আসে। তিনি বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

কেনিয়ার এনডিটিভিতে একটি মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। তাহলে জনগণের সহায়তার শেষ নেই। অনেকে প্রতিবেশী মোমণির মাধ্যমে মোবাইল ফোন এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণ করেছেন। অসহায় কিটসও যেখানে থাকেন সেখানে দুটি বেডরুমের ঘরে পানি বা বিদ্যুতের সংযোগ নেই। তিনি মানুষের উদারতায় মুগ্ধ। আমি বিশ্বাস করতে পারি না যে কেনিয়ানরা এত দয়ালু,” কিতাসাও সহায়তার পরে বলেছিলেন। তারা কীভাবে সহায়তা করতে পারে।

তা জানতে আমি সারা দেশ থেকে ফোন কল পেয়েছি। পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ায় করো,নায় আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৪০০ কাছাকাছি হয়েছে। মৃ;ত্যু হয়েছে ১৭ জনের ।

আপনার মতামত জানান

শেয়ার করুনঃ

খুজুন




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

© ২০২০ | নিউজ ইবিডি ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত 
Design BY NewsTheme