সংবাদ শিরোনামঃ
সিলেট,সুনামগঞ্জ সহ বন্যার্তদের জন্য দেড় কোটি টাকা তোলা সেই গায়ককে পুলিশের ধমক বন্যাদুর্গত সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার অসহায় বানভাসি মানুষের পাশে বিজিবি সিলেট ও সুনামগঞ্জ প্রিয় মাঠ মিরপুর থেকেই শেষ বিদায় নিলেন মোশাররফ রুবেল। হাই ব্লাড প্রেসার কমানোর একেবারে সহজ উপায় যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায় নর্ধারিত কিছু শর্ত লঞ্চের আগুনে : মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯, নিখোঁজ অর্ধশতাধিক ! রাতে দেরি করে ঘুমাতে যান এবং সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন তাদের অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকে। গর্ভাবস্থায় কি করােনা টিকা নেওয়া উচিত জেনে নিন ! পাকা পেঁপে হল সবচেয়ে পুষ্টিকর ফলগুলির মধ্যে একটি। কাঁচা পেঁপেও নানা গুণে ভরপুর। নতুন ভ্যারিয়েন্টের জন্য ‘শাস্তি দেয়া হচ্ছে!দক্ষিণ আফ্রিকা
শনাক্তেও সর্বোচ্চ রেকর্ড করােনা ভাইরাস।

শনাক্তেও সর্বোচ্চ রেকর্ড করােনা ভাইরাস।

শনাক্তেও সর্বোচ্চ রেকর্ড করােনা ভাইরাস।

শনাক্তেও সর্বোচ্চ রেকর্ড করােনা ভাইরাস।সর্বোচ্চ মৃত্যর পর এবার করােনায় সর্বোচ্চ রােগীর রেকর্ড হলাে বাংলাদশে। গত ২৪ ঘণ্টায় এক দিনে সবচেয়ে বেশি ৮ হাজার ৩৬৪ জন রােগী শনাক্ত হয়েছে। গত বছর ৮ মার্চ করোনাসংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত এটাই এক দিনে সর্বোচ্চ রােগীর রেকর্ড। দৈনিক শনাক্ত রােগীর সংখ্যা আগের দিন রবিবারের ৫ হাজার ২৬৮ জন থেকে এক লাফে তিন হাজার বেড়ে এই রেকর্ড করে। এর আগে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে গত ৭ এপ্রিল ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রােগী শনাক্তের খবর এসেছিল।

আরও পড়ুনঃ স্কুল-কলেজ খুলে দিতে যারা উসকানি দিচ্ছে তারা বাংলাদেশের শত্রুঃ আমু

দেশে মহামারী শুরুর পর থেকে সেটাই ছিল এক দিনে শনাক্ত রােগীর সর্বোচ্চ সংখ্যা। এ নিয়ে দেশে মােট শনাক্ত রােগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৮ লাখ ৯৬ হাজার ৭৭০ জনে। সর্বোচ্চ রােগীর পাশাপাশি গতকালও করােনায় মৃত্যুর সংখ্যা একশর ওপরই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করােনায় মারা গেছে ১০৪ জন। এর মধ্যে শুধু খুলনা। | বিভাগেই ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগের দিন গত রবিবার করােনায় সর্বোচ্চ ত্যর রেকর্ড হয়। সেদিন মারা যায় ১১৯ জন। সেদিনও খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩২ জন মারা যায়। সব মিলিয়ে দেশে করােনা ভাইরাসে।

মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা বেড়ে ১৪ হাজার ২৭৬ জন হলাে।দেশে সর্বোচ্চ রােগীর রেকর্ড উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সংক্রমণ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। রােগীর পাশাপাশি মৃত্যুও বাড়ছে। সংক্রমণ কমানাে না গেলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া। দেশের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যব্যবস্থা সামাল দিতে পারবে না। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রােবেদ আমিন।

গতকাল সােমবার বলেন, পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে করােনা সংক্রমণে এপ্রিলের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যেখানে সংক্রমণের হার বেশি, সেখানে মৃত্যুও বেশি হচ্ছে। সংক্রমণ যদি এভাবে ২১-২২ শতাংশ হতেই থাকে, তাহলে অচিরেই হাসপাতালের যেসব বেড় খালি আছে, তা ভরে যাবে। আইসিইউ বেড় সংকট দেখা দেবে। এ বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তা বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় সংক্রমণ বেশি। সীমান্তবর্তী প্রায় সব জেলায় যেখানে সংক্রমণ বেশি সেখানে মৃত্যুও হচ্ছে। সব জায়গায় মৃত্যুর পরিমাণ অনেক বেশি দেখছি।

এজন্য আমাদের যেসব স্থান দিয়ে বিদেশ থেকে মানুষ আসছে, সেসব স্থানে আমরা বেশি পরিমাণে যদি হাউজ ট্রেনিং করতে পারি, তাহলে অনেক বেশি উপকার পেতে পারি।’ সরকারের রােগতত্ত্ব, রােগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হােসেন গতকাল রাতে

২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৮৩৬৪, এর আগে ৭ এপ্রিল ছিল ৭৬২৬
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১০৪ জন। ১০ দিন ধরে দৈনিক গড়ে মৃত্যু ৮৮
বেশি রােগী ঢাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানার পরামর্শ

 

আপনার মতামত জানান

শেয়ার করুনঃ

খুজুন




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

© ২০২০ | নিউজ ইবিডি ২৪ কর্তৃক সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত 
Design BY NewsTheme